1. admin@matrikantha24.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কে এই মোমেন শিকদার ও সোহেল গং,কোথায় তাদের খুটির জোর? বাবার আদর্শকে ধারণ করে সনমান্দী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বিউটি আক্তার যাত্রা শুরু করছে আন্তর্জাতিক জব সাইট ‘রিকুইটো’ সোনারগাঁয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ‘যম’ ওসি আব্দুল বারিক, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জনমনে স্বস্তি নারী সমর্থকদের ‘কাজের মহিলা’ বলে মন্তব্য! সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতাকে ঘিরে তোলপাড় গণতন্ত্র রক্ষায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: এমপি মান্নান সোনারগাঁয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে উৎসবের আবহ, প্রস্তুতিতে ব্যস্ত নেতাকর্মীরা জনসেবা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন “জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মোগরাপাড়াকে ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসমুক্ত করব”—আতাউর রহমান

কে এই মোমেন শিকদার ও সোহেল গং,কোথায় তাদের খুটির জোর?

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৩৯ বার পঠিত

সোনারগাঁ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দবাজার গ্রাম। মেঘনা নদীর কোলঘেঁষা এ এলাকার সাপ্তাহিক হাটটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তবে বর্তমানে একটি ড্রেজিং প্রকল্পকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও নানা অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মোমেন শিকদার ও হাড়িয়ার সোহেল নামের দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতায় ‘চাকদা ড্রেজিং প্রকল্প’ নামে দুটি ড্রেজার বসিয়ে মেঘনা নদী থেকে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদীর নাব্যতা রক্ষার কথা বলা হলেও এর আড়ালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
তাদের দাবি, বিশেষ করে রাতের আঁধারে বালু উত্তোলনের কারণে আনন্দবাজারের স্থানীয় জনবসতি ও নদী তীরবর্তী এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ড্রেজার সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে স্থানীয়রা একাধিকবার মানববন্ধনও করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এসব কর্মসূচির পরও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের আরও দাবি, আনন্দবাজার একটি সংবেদনশীল এলাকা। অতীতে ছোটখাটো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের বিরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তারা।
এদিকে ড্রেজিং প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বর্তমানে এলাকায় একাধিক পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এর ফলে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা বা সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপে চাকদা ড্রেজিং প্রকল্পের দুটি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে এই কার্যক্রম কতদিন বন্ধ থাকবে এবং পরবর্তীতে আবার বালু উত্তোলন শুরু হবে কি না—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, মোমেন শিকদার ও সোহেলের সংশ্লিষ্টতায় পরিচালিত ড্রেজিং প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করা হয়েছে। অনুমোদনের চেয়ে বেশি পরিমাণ বালু উত্তোলন এবং রাতের আঁধারে নদী থেকে বালু তোলার অভিযোগও করেছেন তারা।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে প্রশাসনের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, ড্রেজিং প্রকল্পের নামে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের পেছনে কারা রয়েছে এবং কীভাবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে? তাদের দাবি, নদী ও জনবসতি রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা আরও অভিযোগ করেন, মোমেন শিকদার ও সোহেল অতীতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির নাম ব্যবহার করে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার দাবি, ব্যক্তির কোনো কর্মকাণ্ডের দায় যেন দলের ওপর না পড়ে। তাদের ভাষ্য, ড্রেজিং প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বিরোধ দ্রুত নিরসন করা না হলে এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে এবং এর প্রভাব রাজনৈতিকভাবেও পড়তে পারে।
এলাকাবাসীর দাবি, আনন্দবাজার ও মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং জনবসতি ও নদীর তীর রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক, এবং এই বালুখেকোদের কবল থেকে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন ও মেঘনা নদিকে রক্ষা করা হউক।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ © মাতৃকণ্ঠ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park